গাড়ির ট্যাক্স টোকেন প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়, আর এই ফি গাড়ির ধরন এবং ইঞ্জিনের সিসি অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়। অনেকেই বিআরটিএ অফিসে গিয়ে তবেই জানতে পারেন আসলে কত টাকা লাগবে, যা মাঝে মাঝে বাজেটের বাইরে চলে যায়।
এই ক্যালকুলেটরে গাড়ির ধরন ও সিসি বেছে নিলে আনুমানিক বার্ষিক ট্যাক্স টোকেন ফি দেখতে পাবেন। নিচে নিজের গাড়ির তথ্য দিয়ে হিসাব করে দেখুন।
ট্যাক্স টোকেন ফি কীভাবে নির্ধারিত হয়
বাংলাদেশে গাড়ির ট্যাক্স টোকেন ফি মূলত গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষমতা বা সিসির উপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে নির্ধারিত হয়। সিসি যত বেশি হবে, ফিও তত বাড়বে। এছাড়া গাড়ির ধরন, যেমন প্রাইভেট কার নাকি মাইক্রোবাস তার উপরও হারে কিছুটা পার্থক্য থাকে। এর সাথে অগ্রিম আয়কর নামে আরেকটা চার্জও যুক্ত হয়, যা মূলত গাড়ির মালিকের আয়করের সাথে সমন্বয় করা যায়।
প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন না করলে জরিমানা গুনতে হতে পারে, তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা ভালো।
ট্যাক্স টোকেন নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট: মূল কপি বা তার ফটোকপি লাগে।
- পূর্ববর্তী ট্যাক্স টোকেন: আগের মেয়াদের টোকেনের কপি প্রয়োজন হয়।
- ফিটনেস সার্টিফিকেট: গাড়ির ফিটনেস হালনাগাদ থাকা আবশ্যক।
- বিমার কাগজপত্র: গাড়ির ইন্স্যুরেন্স সচল থাকার প্রমাণ লাগতে পারে।
সময়মতো নবায়নের গুরুত্ব
ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও গাড়ি চালালে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে হতে পারে এবং জরিমানা গুনতে হয়। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই নবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। বর্তমানে অনলাইনেও অনেক ক্ষেত্রে আবেদন করা যায়, যা সময় বাঁচাতে সাহায্য করে।
গাড়ি কেনার সময়েই বার্ষিক ট্যাক্স টোকেন ফি কত আসবে তা হিসাব করে রাখলে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের মোট বার্ষিক খরচ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, যা গাড়ি কেনার সিদ্ধান্তে সহায়ক হতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।